সোমবার, মে, ২০, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ৬, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ৯ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৩৭ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
বিচার বিভাগীয় তদন্ত
চাওয়া জনস্বার্থ কিনা
জানতে চাইলেন আদালতযাযাদি রিপোর্ট হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত ৫ ও ৬ মের ঘটনা তদন্তের জন্য বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে দাখিল করা রিট আবেদন জনস্বার্থের মামলা কি না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। ২১ মে এ বিষয়ে আদালতকে জানানোর জন্য আবেদনকারী আইনজীবীকে বলা হয়েছে।রোববার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ-সংক্রান্ত এক আবেদনের ওপর শুনানিতে এই আদেশ দেন আদালত। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুস আলী আকন্দ ৫ ও ৬ মের ঘটনা তদন্তের জন্য সাবেক একজন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে ১৩ মে হাইকোর্টে আবেদন করেন। শুনানিতে আদালত জানতে চান, "সাভারের রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর যারা নিখোঁজ হয়েছেন, তাদের খুঁজে ফিরছেন তাদের স্বজনরা। এখানেও কি সে রকম কিছু হয়েছে? কেউ কি নিখোঁজদের খুঁজতে এসেছেন?" জবাবে ইউনুস আলী আকন্দ বলেন, সরকারের প্রেসনোটে বলা হয়েছে, ১১ জন মারা গেছে। রাজনৈতিক দল দাবি করেছে, তিন হাজার লোক নিখোঁজ। পবিত্র কোরআন পোড়ানো হয়েছে। এ সময় আদালত বলেন, "আপনি কী মনে করেন?" জবাবে ইউনুস বলেন, "মিডিয়ায় এসেছে, রাজনৈতিক দলগুলো বলেছে, মাদ্রাসার লোকজন ভয়ে এগিয়ে আসছে না। এ জন্য শাপলা চত্বরে ওই দিন মধ্যরাতে ১০ মিনিটের মধ্যে কী ঘটেছে, তা তদন্তের জন্য জুডিশিয়াল কমিশন গঠন করার জন্য আবেদন করা হয়েছে। তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসতে পারে। এ জন্য সাবেক একজন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়েছি।" এ সময় আদালত বলেন, "মিডিয়ার কাজ হচ্ছে নিখোঁজদের খুঁজে বের করা। যদি কেউ নিখোঁজ থাকে, আর তার আত্মীয়স্বজন তা দাবি করে, তবে ওই খবর মিডিয়া লুফে নেবে।" এ সময় ইউনুস আলী আকন্দ বলেন, এ জন্যই এটা তদন্ত হওয়া উচিত। এরপর আদালত ওই আইনজীবীর কাছে জানতে চান, "এটা কি জনস্বার্থের মামলা? প্রচারের স্বার্থে করা মামলা জনস্বার্থের মামলা হতে পারে না।" আদালত আরো বলেন, "জনস্বার্থের মামলা নিয়ে আপিল বিভাগের একটি রায় আছে। সেখানে বলা হয়েছে, জনস্বার্থের মামলা করতে হলে ১৪টা শর্ত পূরণ হতে হবে। আপনার এটা সেগুলো পূরণ করে কি না, তা জানান।" আদালত তাকে মঙ্গলবার এর জবাব দিতে বলে শুনানি ওই দিন পর্যন্ত মুলতবি করেন। প্রসঙ্গত, ৫ মে ঢাকা অবরোধ শেষে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করে হেফাজতে ইসলাম। তাদের সমাবেশ চলাকালে সেদিন দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত পল্টন, বায়তুল মোকাররম, বঙ্গবন্ধু এি্ভনিউ ও মতিঝিলে ব্যাপক সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগি্নসংযোগের ঘটনা ঘটে। সেদিন সন্ধ্যায় নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরেও সমাবেশ শেষ না হওয়ায় গভীর রাতে সেখানে অভিযান চালিয়ে হেফাজতকর্মীদের সরিয়ে দেয় আইশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই অভিযানে বহুসংখ্যক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয় হেফাজত ও বিএনপির পক্ষ থেকে। তবে ওই অভিযোগ সরকার অস্বীকার করছে। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নঢাকায় আগামী এক মাস সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার সরকারি সিদ্ধান্ত আপনি সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |